কক্সবাজার ছাড়িয়ে: সেন্ট মার্টিনে যেভাবে পাবেন প্রবাল পাথরের নিঃসঙ্গ সমুদ্র

টেকনাফ থেকে শিপে সেন্ট মার্টিন — এই দুই ঘণ্টার সমুদ্রযাত্রাটাই একটা অভিজ্ঞতা। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে না গিয়ে যদি অক্টোবরে যান, পাবেন ফাঁকা বিচ, সস্তা হোটেল, আর প্রায় একা একা পুরো দ্বীপটা।

দ্বীপের পশ্চিম পাড়ে সূর্যাস্তের সময় লাল কাঁকড়ার মিছিল দেখুন। ভাটার সময় পায়ে হেঁটে চেরাদ্বীপ যাওয়া যায় — বালুচরে শুয়ে থাকলে মনে হবে পৃথিবীর শেষ প্রান্তে চলে এসেছেন।

স্থানীয় জেলেদের নৌকায় স্নোরকেলিং করুন — মাত্র ৩০০–৫০০ টাকায় প্রবাল প্রাচীর দেখতে পাবেন। নারিকেল গাছের ছায়ায় বসে তাজা ডাবের জল খাওয়ার আনন্দ, আর বিকেলে সমুদ্রে নেমে ঢেউয়ের সাথে খেলা — এটাই সেন্ট মার্টিনের আসল জীবন। রাতের আকাশ দেখতে ভুলবেন না। শহরের আলো না থাকায় মিল্কিওয়ে এখানে খালি চোখেই স্পষ্ট দেখা যায়।

কীভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে কক্সবাজার বা টেকনাফ সরাসরি বাস/ট্রেন। টেকনাফ থেকে জাহাজ সকাল ৯টায় ছাড়ে। ফেরে বিকেল ৩টায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–নভেম্বর (ভিড় কম, সমুদ্র শান্ত) এবং ফেব্রুয়ারি–মার্চ (শীতের শেষে, চমৎকার আবহাওয়া)।

খরচ: রিসোর্টে থাকা ১,২০০–৩,০০০ টাকা/রাত। মোট ৩ দিনের ট্রিপে ৬,০০০–১০,০০০ টাকা যথেষ্ট।

পোস্ট টি শেয়ার করুন

সকল ক্যাটাগরি

অন্যান্য পোস্ট

সাজেক ভ্যালি: মেঘের ভেতরে একটা গ্রাম আর অফুরন্ত নীলাকাশ

রাঙামাটির বুক চিরে পাহাড়ি পথ বেয়ে যখন সাজেকের রুইলুই পাড়ায় পৌঁছাবেন, তখন মেঘ আপনার হাত ছুঁয়ে যাবে। বাংলাদেশের 'মেঘের রাজ্যে' দুই দিনের সম্পূর্ণ গাইড।

সুন্দরবনের গহীনে: যেখানে বাঘের পায়ের ছাপ আর জোয়ারের শব্দ একাকার

পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনের বুকে হারিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা — কটকা, হিরণ পয়েন্ট, আর করমজলের গল্প। একটি রাতের লঞ্চ ভ্রমণে যা দেখলাম, যা অনুভব করলাম।