খাগড়াছড়ি শহর থেকে সিএনজি বা জিপে করে যখন সাজেকের দিকে রওনা দেওয়া হয়, প্রথম এক ঘণ্টা মনে হয় সাধারণ পাহাড়ি পথ। কিন্তু যত উপরে উঠতে থাকবেন, মেঘ নামতে শুরু করে। হঠাৎ করেই দেখবেন — সড়কটা মেঘের ভেতর দিয়ে চলে গেছে।
রুইলুই পাড়ায় পৌঁছে সন্ধ্যার আগে হেলিপ্যাডে দাঁড়াতে হবে। পশ্চিম দিকে সূর্য ডুবলে পুরো ভ্যালি একটা কমলা আভায় ঢেকে যায়। আর রাতে, যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে, তাহলে মিল্কিওয়ে দেখা যায় খালি চোখে।
কংলাক পাড়ার ত্রিপুরা পরিবারগুলো অত্যন্ত আতিথেয়। স্থানীয় বাঁশের ভাত আর কলাপাতায় মোড়া পাহাড়ি মুরগির তরকারি — এই স্বাদ শহরে ফিরে পাবেন না।
ভোরবেলায় উঠুন ৫টার আগে। কুয়াশা কাটার আগে যে দৃশ্য দেখবেন — পুরো পাহাড় সাদা মেঘের সমুদ্রে ডুবে আছে, শুধু চূড়াগুলো মাথা তুলে আছে — এটাই সাজেকের আসল পরিচয়।
কীভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি বাসে (৫–৬ ঘণ্টা), তারপর লোকাল জিপ বা সিএনজিতে সাজেক (২.৫ ঘণ্টা)। সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে।
সেরা সময়: সেপ্টেম্বর–নভেম্বর (মেঘ বেশি) এবং জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি (ঠান্ডা, পরিষ্কার আকাশ)।
খরচ: কটেজে থাকা ৮০০–২,৫০০ টাকা/রাত। মোট বাজেট ৩,০০০–৫,০০০ টাকায় দারুণ ট্রিপ সম্ভব।